সময়ের জনমাধ্যম

জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট

Last Updated on 11 hours by zajira news

জাজিরা নিউজ ডেস্ক: রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে কেনাবেচাও। চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর।

এদিকে, হাটে অনিয়ম ও জাল টাকার ব্যবহার রোধে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভারতীয় গরু আসা ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে বাড়ছে প্রাণচাঞ্চল্য। বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিনই আসছে পশু। থেমে নেই ভারতীয় গরু আসাও। হাটে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও দাম তুঙ্গে বলে দাবি ক্রেতাদের। সামর্থ্যের মধ্যে অনেকে কিনে নিচ্ছেন পছন্দের পশু। কেউ আবার ঘুরপাক খাচ্ছেন অতিরিক্ত দামের গন্ডিতে।

বিক্রেতা বলছেন, পুরোপুরি হাট জমতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে, হাটে ভারতীয় গরুর উপস্থিতি ফেলেছে ভাবনায়। রাজধানীর গাবতলী পশুরহাট পরিদর্শনে এসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, দেশীয় খামারিদের সুরক্ষায় চোরাই পথে পশু আসা ঠেকাতে তৎপর বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অনিয়ম ও জাল টাকা প্রতিরোধেও সরকারের বিভিন্ন সংস্থা হাটে হাটে তৎপর রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

রংপুরের হাটগুলোতে দূর-দুরান্ত থেকে গরু নিয়ে এসেছেন খামারি ও কৃষকরা। শঠিবাড়ি, বেতগাড়ি, খানসামা, বড়বাড়িসহ বিভাগের ৫ শতাধিক স্থায়ী-অস্থায়ী হাটে এখন গরু আর বেপারিদের ভিড়। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, খুলনা ও বরিশালসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসছেন বেপারিরা।

পাইকারি ক্রেতারা বলছেন, গতবারের তুলনায় মণপ্রতি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বেশি দাম পড়ছে। অন্যদিকে, খামারিদের দাবি, গরু বিক্রি করেও গুণতে হচ্ছে লোকসান। আর জামালপুরে স্থায়ী-অস্থায়ী হাট ৩৫টিরও বেশি। ক্রেতারা বলছেন, চাহিদামতো গরু থাকলেও দর-দামের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারছেন না।

তবে চুয়াডাঙ্গার হাটগুলোও ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে মুখর। জেলার ৫টি স্থানে বসেছে স্থায়ী হাট। এবারের হাটে বড় গরুর চাহিদা কিছুটা কম। দেশি জাতের মাঝারি ও ছোট গরুর পাশেই ভিড় বেশি। দাম নিয়ে রয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

অন্যদিকে, নওগাঁয় ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে দেশি জাতের মাঝারি ষাঁড়। চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করেছেন এখানকার খামারিরা। সরবরাহ ভালো থাকায় ক্রেতারাও বেশ খুশি। তবে বাজারদর নিয়ে অসন্তোষ খামারিদের।

এরইমধ্যে কিশোরগঞ্জে কোরবানির হাটে সাড়া ফেলেছে ‘মহারাজা’ ও ‘রাজাবাবু’। বিশাল আকৃতির এই দুই ষাঁড় দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা। খামারিরা বলছেন, লালন-পালনে কোনো ক্ষতিকর স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয়নি। ভালো দামে বিক্রির আশা তাদের।

এদিকে, প্রশাসন বলছে, পশুর স্বাস্থ্য তদারকিতে হাটগুলোতে সজাগ রয়েছেন প্রাণিসম্পদ ও কৃষি কর্মকর্তারা।