Last Updated on 1 day by zajira news
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, জাজিরা নিউজ: গত মাসে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এক উন্মুক্ত শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত দেশের বেকার তরুণদের ‘তেলাপোকা’ ও ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এর ফল যে কী হতে পারে তা তিনি স্বপ্নেও ভাবেননি।
বিচারপতির ওই তুলনা ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের মধ্যে এক বিশাল বিক্ষোভের জন্ম দেয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ১২ বছরের শাসনামলে অনলাইনে এটিই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় প্রতিবাদগুলোর অন্যতম।
বিচারপতির বিতর্কিত মন্তব্যের পর, আম আদমি পার্টির (এএপি) সাবেক সোশ্যাল মিডিয়া কৌশলবিদ অভিজিৎ দিপকে এই শব্দটিকে হাতিয়ার করেন। ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর নামের সঙ্গে ব্যঙ্গ করে তিনি গত ১৬ মে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন। নিমেষেই তা ভাইরাল হয়।
মাত্র ২ দিনের মধ্যে এই দলে ৪০ হাজার সদস্য জুটে যায়। আর ৫ দিনের মধ্যেই অনলাইন অনুসারী হয় লাখ লাখ মানুষ। মূল ধারার গণমাধ্যমেরও নজর কাড়ে দলটি। ব্যতিক্রমধর্মী নাম, ভিন্নধর্মী প্রচার এবং ভাইরাল পোস্টারের মাধ্যমে তরুণদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় এই দল।
তেলাপোকার মতো প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতা ও জীবনীশক্তিকে তরুণদের অবহেলিত জীবনের প্রতিচ্ছবি হিসেবে তুলে ধরেছে দলটি। সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা এদের মূল দাবি।
এই দল এখন আর শুধু ভার্চুয়াল জগতে সীমাবদ্ধ নেই। পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের জীবন ছেড়ে শনিবার ৬ জুন যখন দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, তখন তাকে স্বাগত জানাতে নগরের ঐতিহাসিক বিক্ষোভস্থল যন্তরমন্তরে হাজার হাজার তরুণের সমাগম ঘটেছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে নয়াদিল্লির মানমন্দির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করেছে ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপি। নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সাম্প্রতিক বিভিন্ন কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভ ডাকা হয়।
ককরোচ বা তেলাপোকা পার্টি তাদের অনলাইন আন্দোলনকে ভারতে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবে রূপ দিতে পারে কি না- দিপকের উপস্থিতিতে এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছিল তার প্রথম পরীক্ষা। বেশিরভাগ তরুণই এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে।
ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া ব্যঙ্গাত্মক ও প্রতীকী আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) তরুণদের মধ্যকার গভীর হতাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে যেভাবে দ্রুতই বাস্তবে এমন রাজপথের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে, তা মোদী সরকারের জন্য বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশাল এই তরুণ জনগোষ্ঠীর সোচ্চার হওয়া মোদীর জন্য দীর্ঘমেয়াদে সরকার পতনের হুমকি সৃষ্টিকারী এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে – ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ এবং ‘ব্লুমবার্গ’ এর বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন শঙ্কার কথাই।
‘দ্য টেলিগ্রাফ’ পত্রিকাকে দিপকে বলেছেন, “রাষ্ট্রব্যবস্থার কাছে আমরা কেবলই ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ। আমরা তুচ্ছ, সহজেই অবহেলা করা যায় এবং পুরোপুরি আবর্জনার মতো। কিন্তু তেলাপোকা সব পরিবেশেই টিকে থাকে। আপনারা আমাদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু একেবারে মুছে ফেলতে পারবেন না।”
তরুণদের কাছে আকর্ষণীয় এই আন্দোলনের দল আদতে নিবন্ধিত কোনও রাজনৈতিক দল হিসাবে মাঠে আসবে কিনা এবং নির্বাচনে লড়বে কিনা তা বলার সময় এখনও আসেনি। তবে দলটির প্রতিষ্ঠাতা দিপকে সিজেপি-কে এমন এক দল হিসাবে গড়ে তুলতে চান যারা চাপ সৃষ্টি করতে পারবে এবং সরকারকে জবাবদিহিতার মুখে রাখতে পারবে।
দীপকে বলেন, তার দল ‘অলস, বেকার ও চিরসত্যবাদীদের’ প্রতিনিধিত্ব করে। ভারতের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশির বয়স ৩০ বছরের নিচে। এই তরুণদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাই দলকে এগিয়ে নিচ্ছে। দেশের পরীক্ষাব্যবস্থায় চলমান সংকট এ তরুণদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দিয়েছে।
প্রতিবছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী তীব্র প্রতিযোগিতামূলক সরকারি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেন উচ্চশিক্ষা ও সরকারি চাকরি পেতে। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁস, নম্বর দেওয়ায় ভুল ও কারিগরি ত্রুটি শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ বাড়াচ্ছে। এগুলোকে তারা প্রাতিষ্ঠানিক অদক্ষতা হিসেবে দেখছেন।
এতে তরুণরা গভীরভাবে হতাশ হচ্ছে, যা শুধু পরীক্ষার গণ্ডিতে আটকে নেই। ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হওয়ার পরও তরুণরা বলছেন, তাদের প্রত্যাশামতো সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। ফলে তরুণদের অসন্তোষ সামনে আসছে।
সরকারি তথ্যে দেখা যায়, ২০২৫ সালে ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী ভারতীয়দের মধ্যে বেকারত্বের হার ৯ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে। আগের বছর যা ছিল ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত বছর ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ছিল প্রায় ১৬ শতাংশ। ওদিকে আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী বেকার ভারতীয়দের ৬৭ শতাংশই স্নাতক পাস।
এটি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের মধ্যে ফারাক তুলে ধরে। তরুণরা ক্রমাগত অভিযোগ করছেন, নিরাপদ ও ভালো বেতনের চাকরি পাওয়া এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ‘তেলাপোকা আন্দোলন’ এরই বহিঃপ্রকাশ।
শনিবার নয়াদিল্লিতে পার্লামেন্টের কাছে প্রতিবাদে জড়ো হন শত শত তরুণ। তাদের অনেকের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড ও তেলাপোকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তোলার পর এটিই ছিল তাদের প্রথম রাজপথের কর্মসূচি। বারবার পরীক্ষা নিয়ে বিতর্কের দায় এড়ানোর জন্য দিপকে সরাসরি ভারত সরকারকে অভিযুক্ত করেন। রাজধানীর রাজপথে মিছিল করার সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিয়েছে, “তেলাপোকারা আসছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান যাচ্ছে।”
দিপকের প্রতি তরুণদের আকর্ষণের অন্যতম কারণ, তার সাধারণ জীবনকাহিনি। ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের সম্ভাজি নগরে তিনি বেড়ে উঠেছেন। দলিত পরিবারের এই সন্তান জানান, জাতিগত বৈষম্য ও সামাজিক অসমতার অভিজ্ঞতা থেকেই গড়ে উঠেছে তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি।
দিপকে বলেন, “একজন দলিত হিসেবে আমি জীবনকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তাই বৈষম্য ও অসমতাকে প্রত্যাখ্যান করার মানসিকতা আমার মধ্যে প্রকৃতিগতভাবেই চলে এসেছে। আমি কোনও ব্যতিক্রমী মানুষ নই। আমার জীবনকাহিনী ভারতের লাখ লাখ তরুণেরই গল্প।”
অনেক শিক্ষিত ভারতীয়র মতো দীপকেও উন্নত ভবিষ্যতের খোঁজে দেশ ছেড়েছিলেন। চাকরি, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে তার অনুসারীরাও ঠিক একই রকম উদ্বিগ্ন। তাই তারা সহজেই দিপকের সঙ্গে নিজেদের মেলাতে পারেন।
দীপকে জানান, তার অনুসারীরা বারবার দুটো আবেগ: উদ্বেগ ও আশার কথা বলেছেন। বছরের পর বছর প্রস্তুতির পর পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাওয়ায় অনেকে নিজেদের কষ্টের কথা তাকে লিখেছেন। আবার অনেকে কথা দিয়েছেন, দিপকে দিল্লিতে নামলেই তারা আন্দোলনে যোগ দেবেন। দিপকে আরও জানান, কর্তৃপক্ষ আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করতে পারে ভেবে অনেকে তাকে সতর্কও থাকতে বলেছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য ককরোচ পার্টির উত্থান অস্বস্তিকর এক সময়ে ঘটেছে। এক দশকের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা তার দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এখনও ভারতের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। তবে বর্তমান সময়ে বাড়তে থাকা হতাশা তরুণদের সরাসরি প্রতিবাদের একটি নতুন পথ খুলে দিয়েছে।
এই তেলাপোকা পার্টি, মোদীর জন্য কেন উদ্বেগ ?
সম্প্রতি কয়েকবছরে দক্ষিণ এশিয়ায় জেন-জি আন্দোলনের যে জোয়ার দেখা গেছে সেইসব আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করা যায় ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি’র আন্দোলনকেও। দক্ষিণ এশিয়ার এই আন্দোলনগুলো দিল্লির মতো প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতা কাঠামোর জন্য ভয়ের কারণ।
বাংলাদেশ এবং নেপালে তরুণ প্রজন্মের সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক আন্দোলন যেভাবে রক্তক্ষয়ী রূপ নিয়ে সরকার পতন ঘটিয়েছিল, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উত্থানকে অনেকেই সেই কাতারে ফেলছেন। যদিও সিজেপি’র ভিন্ন ধারাটি হল, এটি অহিংস আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছে।
দলটির বিপুল জনসমর্থন ভারতে বিরোধী দলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং অনেক প্রভাবশালী নেতা একে সমর্থনও জানিয়েছেন। তবে ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন আসন্ন কোনও বড় রাজনৈতিক হুমকি কি না, তা বিচার করতে হবে পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী এখনও বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় নির্বাচিত নেতা। গত মার্চে প্রকাশিত ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর এক জরিপে দেখা যায়, ভারতের ৬৮ শতাংশ মানুষ তার কাজকে সমর্থন করেছে। এতে তিনি বিশ্বের অন্যান্য বড় গণতান্ত্রিক নেতার চেয়ে এগিয়ে গেছেন।
তাছাড়া, তার এই ভাবমূর্তি যে কোনও বিরোধী আন্দোলনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তারপরও সিজেপি-র দ্রুত প্রসার বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মোদীর শাসনামলে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে বিজেপি কোনো বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে কি না, সেই প্রশ্ন সামনে আসছে। তবে সিজেপি মোদীর জন্য সরাসরি নির্বাচনী হুমকি হয়ে উঠছে, এমন দাবি অবশ্য এখনই করছেন না দিপকে। তিনি বলেন, “আমরা কোনো নির্বাচনী দল নই। তবে পরিসংখ্যান দলের প্রসার কতটা তা বলে দিচ্ছে।”
নরেন্দ্র মোদী দল বিজেপি সম্প্রতি তাদের অবস্থান আরও অনেক শক্তিশালী করেছে। পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিনের মমতার শাসনকে হটিয়ে ক্ষমতা নিয়েছে মোদীর দল। এর মধ্য দিয়ে বিজেপি উত্তর ও দক্ষিণ ভারতে তাদের ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটিগুলোর বাইরেও অবস্থান পোক্ত করেছে। এখন সব মিলিয়ে ভারতের রাজ্যগুলোর দুই-তৃতীয়াংশের ক্ষমতাই আছে বিজেপি ও তার মিত্রদের হাতে।
তবে বর্তমানে জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের ভোটেই রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটার লক্ষণ দিন দিন বাড়তে দেখা যাচ্ছে। তামিলনাড়ু রাজ্যে মে মাসের বিধানসভা নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের ভোটেই দশকের পর দশকের শাসনের ধারা ভেঙে সবাইকে তাক লাগিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন চলচ্চিত্র তারকা বিজয় থালাপতি।
রাজনৈতিক শ্রেণীর সঙ্গে তরুণদের প্রজন্মগত ব্যবধান কম বয়সী ভারতীয়দের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করছে। যারা মনে করছে সরকার তাদের জন্য যথেষ্ট সুযোগ তৈরি করছে না, নতুবা তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো যথাযথভাবে আমলে নিচ্ছে না।
ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশেরই বয়স ৩৫ বছরের নিচে। অথচ ভারতের নীতিনির্ধারক ও শীর্ষ নেতাদের গড় বয়স ৬০ থেকে ৭০-এর কোঠায়। যেখানে খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদীর বয়স ৭৫ বছর।
প্রবীণ নেতাদের একচ্ছত্র আধিপত্য ও বংশানুক্রমিক রাজনীতির কারণে তরুণরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রান্তিক হয়ে পড়ছে। বেশিভোগ তরুণ ভোটার রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর কোনো ভরসা খুঁজে পায় না। আর এখানেই ‘ককরোচ পার্টি’র মতো বিকল্প আন্দোলনগুলো স্পষ্ট করে দেয় যে, সরকার তাদের দাবি ও উদ্বেগকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না।
ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) শুরুতে ককরোচ পার্টিকে ‘অনলাইন স্টান্ট’ বা ‘বিরোধীদের ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দিলেও মোদীর চেয়ে দ্বিগুণ অনলাইন ফলোয়ার, প্রভাবশালী নেতাদের সমর্থন এবং দিল্লির রাজপথে তেলাপোকা জোয়ার মোদী সরকারের দীর্ঘ ১২ বছরের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিতকে টলিয়ে দেওয়ার শঙ্কা তৈরি করেছে।


