সময়ের জনমাধ্যম

সুইজারল্যান্ড গ্রুপ সেরা, কানাডা হেরেও নকআউটে

Last Updated on 12 hours by zajira news

স্পোর্টস ডেস্ক, জাজিরা নিউজ: আগের ম্যাচে বদলি নেমে গোল করার পর এবার জায়গা পেলেন শুরুর একাদশে। সুযোগটা কাজে লাগালেন ইয়োহান মানজাবি ও রুবেন ভার্গাস। আবারও গোল করলেন এই দুজন। কানাডাকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠল সুইজারল্যান্ড।

ভ্যাঙ্কুভারে বুধবার (২৪ জুন) ‘বি’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডে ২-১ গোলে জিতেছে সুইসরা। সবকটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। কানাডার ব্যবধান কমান প্রমিস ডেভিড।

এখানে হারলেও, গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে কানাডা।

তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে সুইজারল্যান্ড। একটি করে জয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে কানাডা।

একই সময়ে গ্রুপের আরেক ম্যাচে কাতারকে ৩-১ গোলে হারানো বসনিয়া ও হার্জেগোভিনারও ৪ পয়েন্ট। গোল পার্থক্যে তিনে আছে তারা। সেরা তৃতীয় স্থানাধিকারী আট দলের একটি হিসেবে পরের পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা টিকে থাকল তাদের। ১ পয়েন্ট পাওয়া কাতার বিদায় নিয়েছে।

এবারের আগে দুইবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ছয় ম্যাচের সবকটি হেরেছিল কানাডা। এবার ঘরের মাঠের আসরে বসনিয়ার সঙ্গে ১-১ ড্রয়ে প্রথম পয়েন্ট পায় সহ-আয়োজক দলটি। দ্বিতীয় ম্যাচে কাতারকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে পায় প্রথম জয়ের স্বাদ। এবার হেরে গেলেও, পরের ধাপে জায়গা করে নিল জেসি মার্শের দল।

ম্যাচে লড়াই হয়েছে জমজমাট। ৫৫ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ছয়টি শট নিয়ে চারটি লক্ষ্যে রাখতে পারে সুইজারল্যান্ড। কানাডার ১৩ শটের সাতটি লক্ষ্যে ছিল।

একাদশ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় সুইজারল্যান্ড। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রিল এমবোলো। ওয়ান-অন-ওয়ানে তার শট এগিয়ে এসে রুখে দেন গোলরক্ষক মাক্সিম ক্রেপো। এরপরও সুযোগ ছিল। বসনিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করা মানজাবির প্রচেষ্টা আটকে দেন এক ডিফেন্ডার।

দুই মিনিট পর কানাডার ল্যারিন সতীর্থের থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে কাটানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হন, যদিও দেরিতে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। ৩৩তম মিনিটে ভালো সুযোগ পায় কানাডা। বক্সের ভেতর থেকে ল্যারিনের নিচু শট ঠেকান সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। ৪১তম মিনিটে ল্যারিনের আরেকটি প্রচেষ্টা ফেরান তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পাস দেন মানজাবি। এমবোলো বলের নাগাল না পেলেও নিচু শটে জালে পাঠান ভার্গাস। বসনিয়ার বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানের জয়ে একটি গোল করেছিলেন তিনি।

৫৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সুইজারল্যান্ড। এমবোলোর পাস বক্সে পেয়ে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন মানজাবি। বল হাতে লাগলেও আটকাতে পারেননি গোলরক্ষক বসনিয়ার বিপক্ষে ২০ বছর বয়সী মানজাবি করেছিলেন জোড়া গোল।

৭৫তম মিনিটে বদলি নামার পরের মিনিটেই চমৎকার গোলে ব্যবধান কমান প্রমিস ডেভিড। বক্সে প্রথম স্পর্শে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দ্বিতীয় স্পর্শে অন্য পাশে পাস দেন সালিবা, আর ছুটে গিয়ে ভলিতে জালে পাঠান ডেভিড।

শেষ দিকে সমতা টানার বেশ কয়েকটি সুযোগ পায় কানাডা। কিন্তু গোলরক্ষক কোবেলের দেয়াল আর ভাঙতে পারেননি তারা। কাতারকে বিদায় করে নকআউটের জোর আশায় বসনিয়া-হার্জেগোভিনা