সময়ের জনমাধ্যম

কৃষি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সারাওয়াকের কৌশলগত সহযোগিতার উদ্যোগ

Last Updated on 2 months by zajira news

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি, জাজিরা নিউজ: বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার বৃহত্তম রাজ্য সারাওয়াকের কৃষি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে মূলত কৃষি প্রক্রিয়াকরণ এবং খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল (ফুড ভ্যালু চেইন) শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ এপ্রিল) কমপ্লেক্স সাত্রিয়া পের্তিওয়িতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী এবং সারাওয়াকের প্রধানমন্ত্রী দাতুক পাতিঙ্গি তান শ্রী আবাং জোহরি তুন ওপেং- এর মধ্যে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিপাক্ষিক এই আলোচনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা রিনিউয়েবল এনার্জি খাতে যৌথ বিনিয়োগ ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বিনিময়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

হাইকমিশনার জানান, আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল সারাওয়াকের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করা।

উভয় পক্ষই মনে করছে, এই সহযোগিতার মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বালানি খাতের আধুনিকায়নে নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

বৈঠক পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী জানান, সারাওয়াকের নির্মাণ খাতসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। দ্রুত এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে দুই অঞ্চলের শ্রমবাজারের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, সারওয়াক প্রিমিয়ার দফতরের উপমন্ত্রী (শ্রম, অভিবাসন ও প্রকল্প পর্যবেক্ষণ) গেরাওয়াত গালা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সারাওয়াক আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক দাতো ফেনি নুলি, বাংলাদেশ হাই কমিশনের মিনিস্টার ও ডেপুটি হাই কমিশনার মোসাম্মাত শাহানারা মনিকা, মিনিস্টার (শ্রম) মো. সিদ্দিকুর রহমান ও প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ।

পরবর্তীতে হাইকমিশনার মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারিং ফেডারেশন (এফএমএম) এবং সারাওয়াক বিজনেস ফেডারেশন (এসবিএফ)-এর সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করেন, যেখানে বাংলাদেশ ও সারাওয়াকের মধ্যে পারস্পরিক সুবিধাজনক ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।