Last Updated on 8 months by zajira news
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, জাজিরা নিউজ: ভারি বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরীর একটি খালের উপর থাকা সেতু ও সড়ক। শহরের বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।
বৃহস্পতিবার (৭ আগষ্ট) ভোর থেকে নগরীতে টানা ভারি বৃষ্টির মধ্যে দুই নম্বর গেইট থেকে অক্সিজেনমুখী বায়েজিদ বোস্তামি সড়কের স্টার শিপ এলাকায় শীতল ঝর্ণা খালের ওপর থাকা সেতুটি ধসে পড়ে।
ফলে সড়কের একপাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে অন্য পাশ দিয়ে গাড়ি চলছে। উভয়মুখী গাড়ি একই লেন দিয়ে চলাচল করায় সৃষ্টি হয়েছে যানজট।
এদিন সকাল ৬টার দিকে সেতুটি ভেঙে পড়ে। শীতল ঝর্ণা খাল দিয়ে তখন তীব্র স্রোতে পানি নামছিল। পানির তোড়ে সেতুটি ভেঙে যায়।
চট্টগ্রামের রাউজান ও হাটহাজারী উপজেলা, অক্সিজেন মোড় হয়ে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িমুখী যানবাহন চলে বায়েজিদ বোস্তামি সড়ক দিয়ে। সড়কটির দুই পাশে বেশ কিছু শিল্প কারখানা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিফাতুল করিম চৌধুরী বলেন, “এটি বহু বছরের পুরনো ইটের তৈরি সেতু। ১৯৮০ সালের দিকে করা হয়েছিল। পানির চাপে সেতুটি ভেঙে গেছে। এখন রাস্তার ওই অংশ বন্ধ রাখা হয়েছে।”
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “এটা ২০ ফুটের একটি ব্রিজ। এটা করতে হবে ৬০ ফুট। কিন্তু যে বাজেট দরকার, তা আমাদের নেই। এখানে প্রায় ৯ কোটি টাকা খরচ হবে। এখন নিজস্ব তহবিল থেকে করতে হবে।”
তিনি বলেন, চলমান জলাবদ্ধতা প্রকল্পের অধীনে শীতল ঝর্ণা খাল খনন করা হয়েছে। তাতে জলাবদ্ধতা কমেছে। কিন্তু নিচ থেকে মাটি ওঠানোর কারণে ব্রিজের নিচের মাটি সরে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত নগরীতে ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আমবাগান আবহাওয়া অফিস। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড করা হয় ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত।
বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে নগরীতে বৃষ্টি শুরু হয়। ভোর থেকে টানা বর্ষণে নগরীর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, চান্দগাঁও আবাসিক, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, হালিশহর বসুন্ধরা আবাসিক, নন্দীরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।


