Last Updated on 32 seconds by zajira news
অনলাইন ডেস্ক, জাজিরা নিউজ: বগুড়ার আদমদিঘি উপজেলার সান্তাহার তিলকপুর এলাকায় নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নয়টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ২১ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
বগিগুলো উদ্ধারের পর বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল শুরুর মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। রেলওয়ে পশ্চিম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহমদ হোসেন মাসুম জানান, দুর্ঘটনার পর থেকে রেলওয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমরা এখানে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করি।
সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী থেকে একটি রিলিফ ট্রেন এবং পার্বতীপুর থেকে আরেকটি রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সারারাত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বগিগুলো লাইন থেকে সরানো হয়েছে। এখন রেললাইন মেরামত করা হচ্ছে। আমরা এ অবস্থায়ই ট্রেন চালাতে পারবো।
তিনি আরও জানান, চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ১১টা ২০ মিনিটে ছেড়ে গেছে। লাইন মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে, যেসব স্থানে সমস্যা রয়েছে, সেসব স্থানে ট্রেনগুলো ধীর গতিতে চলাচল করবে। সেই সঙ্গে চলবে মেরামত।
ঈদযাত্রায় নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বুধবার চিলাহাটি যাচ্ছিল। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টায় পথে সান্তাহার স্টেশনে বিরতি দিয়ে ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর বগুড়ার আদমদিঘি উপজেলার তিলকপুর এলাকায় ট্রেনটির নয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এসময় ট্রেনের ভেতরে ও ছাদে থাকা অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হন। খবর পেয়ে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় উদ্ধারকারী (রিলিফ) দুটি ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। জানা যায়, তিলকপুর এলাকার রেললাইনে মেরামতের কাজ চলছিল।
টানানো ছিল লাল পতাকা। কিন্তু নীলসগারের চালক তা খেয়াল করেননি। ফলে এতো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার পর থেকে নীলসাগরের চালক ও স্টাফরা পালিয়ে গেছেন। তাদের ধরার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার কারণে সান্তাহারের সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।


