Last Updated on 6 mins by zajira news
মালয়েশিয়া প্রতিনিধি, জাজিরা নিউজ: পরিবারে সচ্ছলতা ফেরাতে, ধার-দেনা করে (২০২২-২৩) সালের কলিং ভিসায় প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে মোঃ মনির হোসেন (২৮) পাসপোর্ট নং, EL0755626 , পাড়ি দেন সুদুর মালয়েশিয়া।
অনুমানিক গত শনিবার (০২ মে) মনির কি কারণে আন্তহত্যার পথে বেছে নেয় তা জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শিদের মতে গলায় ফাঁস দিয়ে আন্তহত্যা করে বলে জানা যায়।
মনির কেলাং এর দক্ষিন বন্দরে একটি কোম্পানিতে রাত্রিকালীন প্রহরির কাজ করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় দিন শেষে শনিবার সন্ধায় বেরিয়ে যায় তার কর্মস্থলে।
দিনের ডিউটি পালন করে মনিরের কর্মস্থলের আরেক বাংলাদেশী কর্মী সকালে মনিরকে না পেয়ে খোঁজ নিতে একটু ভিতরে গেলেই দেখতে পায় গলায় ফাঁস সহ মনিরের লাশ।
তার সহকর্মীটি জানান, স্বাভাবিক ভাবে গলায় ফাস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল না মনিরের মৃত্যু দেহ, হাটু গেড়ে দুহাত এক করে বসে থাকা অবস্থায় দেখতে পায় তারা , যা দেখে আত্নহত্যা বলে মনে হচ্ছিল না কারো।
এদিকে মনিরের কর্মস্থলের সন্নিকটে একজন ইন্দোনেশিয়ান সস্ত্রীক ও তিনজন মায়ানমারের নাগরিক থাকত, তবে মনিরের মৃত্যুর পর তারা নিখোঁজ বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শিরা।
হাসপাতালের ময়না তদন্তে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে ফাঁস দিয়ে মরলে কেন হাটুগেড়ে মেঝেতে বসা থাকবে আর কেনই বা পাশের পাঁচ জন পালিয়ে যাবে? প্রশ্ন থাকলেও পুর্ন তদন্তের দাবি করা হয় নাই।
মরহুমের আপন ভাই যিনি, একই কোম্পানিতে অন্য সেকশনে কাজ করে মোঃ কামরুল শেখ, তিনি তার ভাইয়ের মৃতুদেহ দেশে প্রেরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রয়োজনীয় আইনি কর্মকান্ড শেষ হলে মনিরের মৃতুদেহ তার গ্রামের বাড়ি- ফরিদপুরের মধুখালি থানার বনমালিদিয়ার মিয়া পাড়ায় প্রেরণ করা হবে।
মনিরের মৃত্যু সংবাদে তার পরিবার ও প্রতিবেশী মহলে শোকের মাতম চলছে। মৃতুকালে মনির বাবা, মা, স্ত্রী সহ এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।

