Last Updated on 31 seconds by zajira news
স্পোর্টস ডেস্ক, জাজিরা নিউজ: মিরপুর টেস্টে শক্ত ভিত গড়েও দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের মতো করে শেষ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।
শনিবার (০৯ মে) সকালে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের দাপুটে ব্যাটিংয়ের ধার ধরে রাখার আশা থাকলেও পাকিস্তানি পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে মাত্র ১১২ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ অবদান আসে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। নিজের ৩৯তম জন্মদিনে তিনি খেলেন ১৭৯ বলে ৭১ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস। আটটি চারে সাজানো এই ইনিংসটি ছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফসেঞ্চুরি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংসের নতুন রেকর্ডও গড়েন তিনি।
সকালে মুশফিককে ভালো সঙ্গ দেন লিটন দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির এক ওভারে টানা তিনটি চার মেরে দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। মুহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৬৭ বলে ৩৩ রানে বিদায় নেন লিটন।
এরপর দ্রুত ফিরে যান মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। মিরাজ ১০ এবং তাইজুল ১৭ রান করেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরপরই শাহিন আফ্রিদির ভেতরে ঢোকা দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুশফিক। এরপর শূন্য রানে আউট হন এবাদত হোসেন।
বাংলাদেশের ইনিংসকে চারশর গণ্ডি পার করান মূলত তাসকিন আহমেদ। নিচের সারিতে নেমে ১৯ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তিনটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় স্কোর চারশ পার করেন তাসকিন।
পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মুহাম্মদ আব্বাস। ডানহাতি এই পেসার ৩৪ ওভারে ৯২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ ফাইফার। আর ৩ উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।


