সময়ের জনমাধ্যম

তারা আমাকে মেরে ফেলতে পারে, তাদের প্রতিটি তালিকায় আমি : ট্রাম্প

Last Updated on 10 hours by zajira news

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, জাজিরা নিউজ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার জন্য ইরান সম্প্রতি একটি নতুন পরিকল্পনা করেছে—এ–সংক্রান্ত একটি গোয়েন্দা তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিয়েছে ইসরায়েল।

২০২০ সালে ট্রাম্পের নির্দেশে ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন। মার্কিন সরকার দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছে যে সেই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ইরান ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করতে পারে।

ইসরায়েলের এ সতর্কবার্তা নিয়ে প্রথম সংবাদ প্রকাশ করে মার্কিন পত্রিকা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের কাছে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তারা ইরানের হত্যাচেষ্টা নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে।

গত বুধবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যুক্তরাষ্ট্রের নেতাকে, অর্থাৎ আমাকে সরিয়ে দিতে চায়। আমি যেকোনো তালিকায় (হিটলিস্ট) আছি। আজ সকালেই আমি দেখলাম, তাদের প্রতিটি তালিকায় আমার নাম রয়েছে। এখন পর্যন্ত আমি কিছুটা ভাগ্যবান, তবে ভাগ্য হয়তো সব সময় সহায় না–ও থাকতে পারে।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এরা ‘‘অত্যন্ত দুষ্ট ও মানসিকভাবে অসুস্থ’’ মানুষ। আমাদের এই ‘‘ক্যানসার’’ উপড়ে ফেলতে হবে। এই ক্যানসারকে। আপনারা জানেন, ক্যানসার হলে কী করতে হয়? একদম শুরুতেই ক্যানসার কেটে ফেলে দিতে হয়। আমি ঠিক এটিই অনুভব করছি।’

পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি সম্প্রতি একটি নতুন তালিকার কথা জানতে পেরেছেন, যেখানে ইরানের মূল লক্ষ্য হিসেবে তাঁর নাম সবার ওপরে রাখা হয়েছে। তবে তিনি ইসরায়েলের দেওয়া নতুন গোয়েন্দা তথ্যের দিকে ইঙ্গিত করছিলেন কি না, তা পরিষ্কার নয়।

এদিকে গত সপ্তাহের শেষভাগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিয়ে সমবেত জনতা ট্রাম্পের মৃত্যু কামনা করে স্লোগান দেন। যুদ্ধের শুরুতেই নিহত হয়েছিলেন ইরানের এই সর্বোচ্চ নেতা।

সাম্প্রতিক দিনগুলোয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। দুই দেশের শত্রুতা অবসানে হওয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি এখন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ফলে উভয় পক্ষই একে অপরকে হুমকি দিচ্ছে এবং হামলা চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানিয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এমন কিছু পক্ষের ওপর নজর রাখছে, যারা হামলা নিয়ে আলোচনা করলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।