সময়ের জনমাধ্যম

বাংলাদেশে সমরাস্ত্র কারখানা তৈরিতে সহযোগিতা করবে তুরস্ক

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

Last Updated on 2 hours by zajira news

অনলাইন ডেস্ক, জাজিরা নিউজ: বাংলাদেশে সমরাস্ত্র কারখানা তৈরিতে সহযোগিতা করতে চায় তুরস্ক।

ঢাকা সফররত তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানা জানিয়েছেন, বাণিজ্য বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা ও শিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ আছে।

বাংলাদেশে সমরাস্ত্র কারখানা তৈরিতে সহযোগিতা করতে চায় তুরস্ক। ঢাকা সফররত তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানা জানিয়েছেন, বাণিজ্য বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা ও শিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ আছে।

শুক্রবার (০৫ জুন) সকালে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, ঢাকা বিশ্বাস করে দেশের বাইরে বাংলাদেশের বন্ধু ও অংশীদার রয়েছে, কোনো প্রভু নয়।

স্বনির্ভর প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত গড়তে, গেল বছরের নভেম্বরে সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই উদ্যোগের লক্ষ্য সামরিক ও আধা-সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের জন্য ড্রোন, সাইবার প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদের চাহিদা পূরণ। তৈরির পাশাপাশি রপ্তানিও করতে চায় বাংলাদেশ। দীর্ঘ মেয়াদে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজন প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ।

বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনে সহযোগী হতে চায় তুরস্ক। ঢাকায় বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানা।

হাকান ফিদানা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী ও দূরদর্শী পর্যায়ে উন্নীত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দুই দেশের বাণিজ্য বর্তমানে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের। আমরা তা ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেছি। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা শিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ আছে।’

রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসনে ঢাকাকে পূর্ণ সহযোগিতায় আশ্বাসও দিয়েছে আঙ্কারা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করেই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায় বাংলাদেশ।

মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শেষে ঢাকা-আঙ্কারার মধ্যে সাংস্কৃতি বিনিময় ও ঐহিত্য রক্ষায় সই হয়েছে একটি সমঝোতা স্মারক।