সময়ের জনমাধ্যম

শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মালয়েশিয়ায় লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী

অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী বশির ইবনে জাফর। ছবি: জাজিরা নিউজ

Last Updated on 1 min by zajira news

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি, জাজিরা নিউজ: শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে ধারাবাহিক সফল নেতৃত্ব ও লিডারশিপ তৈরিতে বিশেষ অবদানের জন্য মালয়েশিয়ার অন্যতম শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় মাহসা ইউনিভার্সিটির ‘আউটস্ট্যান্ডিং অ্যালুমনাই লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী বশির ইবনে জাফর।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইউনিটি বলরুমে আয়োজিত ‘মাহসা কন্টিনিউয়াম’ অনুষ্ঠানে এই অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিসি প্রফেসর দাতো ড. ইকরাম শাহ বিন ইসমাইল।

অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে ফোরাম স্পিকার হিসেবেও বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন বশির ইবনে জাফর। অংশ নেন প্রশ্নোত্তর পর্বেও। বিশ্ববিদ্যালয়টির দীর্ঘ ২২ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তাদের সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য এই আয়োজন করে। তাদের কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ছয়টি ক্যাটাগরি নির্ধারণ করে এই অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘মাহসা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা মালয়েশিয়ার নানান সেক্টরে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন, যা বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে। আর তাদের এই অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই এই আয়োজন।’ ভবিষ্যতেও মাহসা তাদের সাবেকদের এভাবেই স্মরণ রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বশির ইবনে জাফর গত ২০২২ সালে মাহসা ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তি ও প্রকৌশল অনুষদ থেকে আইটি নিয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করে মেট্রো প্রিমিয়াম গ্রুপে ‘লিড ফ্যাব্রিকেশান অ্যানালিস্ট’ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং দুই বছরের মধ্যে একাধিক পদোন্নতি পেয়ে অপারেশন ডিপার্টমেন্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার নিযুক্ত হন।

শিক্ষাজীবনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্র সংসদ নির্বাচনে পর পর দু’বার ভিপি নির্বাচিত হবার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও ২০২২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির ২১তম সমাবর্তনে সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন।

২০২৪ সালে তিনি মালয়েশিয়ার আরেক স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি পূত্রা মালয়েশিয়া’ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি কর্মরত রয়েছেন, মাহসা ইউনিভার্সিটিতেই অ্যাডমিশন অফিসার হিসেবে।