Last Updated on 2 mins by zajira news
মালয়েশিয়া প্রতিনিধি, জাজিরা নিউজ: মালয়েশিয়ায় প্রথমবারের মতো রাজধানী কুয়ালালামপুরে অবস্থিত ৪২১ মিটার উঁচু পর্যটনকেন্দ্র খ্যাত হেমিসফেরা লাক্সারী স্কাই হল কেএল টাওয়ারে ‘রমাদান রিফ্লেকশন-২০২৬ ইফতার ও দোয়া মাহফিল’ অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এই বর্নিল অনুষ্ঠানে বিএমসির প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মুরাদ হোসেন এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামিক স্কলার শায়ক ড. মিজানুর রহমান আজহারি।
৪২১ মিটার উঁচু টাওয়ারের বলরুমে ২৭০ অনুসারী এবং বিশ্বজয়ী কোরআনে হাফেজ মো. আবু রায়হান উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বয়ানে ড. আজাহারি বলেন, রাসুল সা এর তেলাওয়াত শুনে অনেক জীন মুসলিম হয়েছে। আয়েশা রাঃ বলেন মাঝরাতে কোরআন তেলাওয়াত করতে করতে জমিন ভিজিয়ে দিতেন চোখের পানিতে। রাসুল (সা.) বলেন ওজু সহ এবং ওজু ছাড়া সব সময় কোরআন তেলাওয়াত করতেন। তবে ফরজ গোসলের সময় ব্যতিত সব সময়ই কোরআন তেলাওয়াত করতেন। সুরা বাকারা পড়লে কোন ব্লাক ম্যাজিক কাজ করবে না। কোন জাদুকর জাদু করতে পারবে না। ৭টি আরবি আঞ্চলিক ভাষায় কোরআন নাজিল হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন ৭টির ভাষায় যেটি সহজ সেই ভাষায় কোরআন পড়া যাবে।
তিনি বিস্তারিত আলোচনা শেষে আরও বলেন, আর্তমানবতার কল্যাণে সারা বাংলাদেশে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে হাসানাহ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন।
এর মূলত উদ্দেশ্য সর্বসাধারণের কাছ থেকে প্রাপ্ত অনুদান ও জাকাত এর অর্থে তহবিল গঠন করে সারা বাংলাদেশ যেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই বা সংখ্যায় কম সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ এবং এই শিক্ষার বিপ্লব ঘটাতে এ খাতে সার্বিক সহায়তা করা।
ইতোমধ্যে এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সব জেলা উপজেলার পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চল, উপকূলীয়, নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল, হাওর, দরিদ্র অঞ্চল গুলো কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই ফাউন্ডেশনে যে কেউ অর্থ প্রদান করতে পারবেন এর জন্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিকাশ, রকেট অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।
ড. মিজানুর রহমান আজহারি প্রত্যক্ষভাবে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হাসানাহ ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক সরকার-নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান। কার্যক্রম গুলো হচ্ছে, শিক্ষা সিরাহ মিউজিয়াম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দাওয়াহ ও রিসার্চ প্রমুখ। সহায়ক উপকরণ বিতরণ, কোরআন অলিম্পিয়াড, সিরাত অলিম্পিয়াড, শিক্ষাবৃত্তি, মক্তব ভিত্তিক কার্যক্রম, সিরাহ মিউজিয়াম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দাওয়াহ ও রিসার্চ প্রমুখ।

