Last Updated on 1 hour by zajira news
অনলাইন ডেস্ক, জাজিরা নিউজ: জনগণের অধিকার প্রশ্নে কাউকে ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, “আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য রাস্তায় নামিনি; নেমেছি ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমাদের কর্মসূচির ওষুধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে, বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
“আপনারা বলতেছেন এই করলে, সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।”
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি শুরুর প্রাক্কালে শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার শাপলা চত্বরে সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন শফিকুর রহমান।
জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে।”
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন; জুলাই গণহত্যার বিচার; বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন; নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এদিন ‘লং মার্চ’ করছে জামায়াত জোট।
চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাশত করব না। চাঁদাবাজদের জ্বালায় মানুষ অতিষ্ঠ, দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত।”
সকাল ৭টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশের পর সোয়া ৮টার পর বিশাল গাড়িবহর চট্টগ্রামের পথ ধরে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাক স্ট্যান্ডে, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল এবং মীরসরাইয়ে পথসভা হবে। সবশেষ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শেষ হবে।
এর আগে গত ৬ অগাস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে জোটের এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লং মার্চ’ ও মহাসমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন জোটের শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান।
ঘোষিত ওই কর্মসূচি অনুযায়ী, শনিবারের পর আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে (রেলপথে) লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।


