Last Updated on 33 seconds by zajira news
অনলাইন ডেস্ক, জাজিরা নিউজ:বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে গুলি করার পর পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। মেজর সাব্বিরের দাবি, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটান।
সাক্ষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকার বলেশ্বর নদীতে একটি ফিশিং ট্রলারে করে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে চারজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি।
একই কায়দায় ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলেও সাক্ষ্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। তিনি জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের ‘গলফ অপারেশনে’ ব্যবহৃত ট্রলারের মাঝিদের মধ্যে আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।
গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এবং হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এরপর মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম এগোবে।
গত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা, যার বিচার কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।


